Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

শিরোনাম
বনওয়ারীনগর রাজবাড়ী
স্থান
উপজেলা ফরিষদ, ফরিদপুর, পাবনা।
কিভাবে যাওয়া যায়
সড়ক পথে: ঢাকা থেকে ঢাকা হাটিকুমরুল মহাসড়ক পথে বাঘাবাড়ী হতে ১৮ কিলোমিটার পশ্চিমে ফরিদপুর উপজেলা। জেলা শহর পাবনা থেকে টেবুনিয়া, আটঘরিয়া, চাটমোহর হয়ে ৫৫ কিলোমিটার সড়ক পথে ফরিদপুর উপজেলা। রেল পথ: ঢাকা কমলাপুর হতে রেল পথে চাটমোহর রেল স্টেশন হতে ২৫ কিলোমিটার পূর্বে এবং ভাঙ্গুড়া উপজেলার বড়ালব্রিজ রেল স্টেশন থেকে ১২ কিলোমিটার পূর্বে ফরিদপুর উপজেলা। ফরিদপুর উপজেলার যে কোন বাসস্ট্যান্ড হতে রিক্সা ও ভ্যানযোগে (বনওয়ারীনগর বাজার হতে হেঁটে সামান্য পথ। )
বিস্তারিত

বনওয়ারীনগর রাজবাড়ী:

জনশ্রুতি জানা যায়, ষোড় শতাব্দীর শেষের দিকে সিরাজগঞ্জের তাড়াশের জমিদার বনওয়ারী লাল রায় বর্ষা কালে বজরা নৌকায় করে  ফরিদপুর হয়ে পাবনার লাটের খাজনা দিতে রওয়ানা দেন।পথি মধ্যে বর্তমান রাজবাড়ীর স্থানে পৌঁছালে সেখানে পদ্ধ পাতার উপরে “ভেক কর্তৃক শর্প ভক্ষন’ এর দৃশ্য দেখে স্থানটি অতীব সৌভাগ্যের মনে করেন এবং এস্থানে একটি রাজবাড়ীপ্ রতিশ্ঠার চিন্তা-ভাবনা করেন। এরও পরে তাড়াশ থেকে জমিদারির প্রধান কার্যালয় এখানে স্থানান্তর করেন।রাজবাড়ীর মধ্যে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন “অন্দরমহল’ বা “রাণীমহল’। এর লাগোয়া দক্ষিণ পাশে দিঘির মধ্যে চারদিকে ঘেরা গোসাল খানা বা রাণীর ঘাট (জমিদার পরিবারের মেয়েদের কড়াকড়ি পর্দার কারণে তৈরী)  এর পূর্বপার্শ্বে “হাওয়াখানা’। তৎকালে দক্ষিণ দিকে কয়েকশ মাইল কোন গ্রাম না থাকা সূদুর থেকে মৃদু মন্দ সমীরণ ভেসে এসে কর্ম ক্লান্ত জমিদারকে শান্তির পরশ বুলিয়ে দিত। বর্তমানে এটি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস। এর পূর্বপাশে “রাধা বিনোদ মন্দির’। এ মন্দিরে কখ্টি পাথর ও সোনার বিগ্রহ ছিল। বর্তমানে একটি পরিত্যক্ত। এর র্প্বূপাশে দোতলা নাট্য মন্দির। জমিদার পরিবারের মেয়েরা দোতলা থেকে পূর্জা অর্চনা ও নাট্যভিনয় দেখত। সূদুর কলকাতা থেকে অভিনেতারা এখানে এসে অভিনয় করত। এটি এখন অফিসার্স ক্লাব। জমিদার বনওয়ারী লাল রায় বৃন্দাবনে মারা যাবার পরে তাঁদের দত্তকপুত্র বনমালী রায় এ রাজবাড়ী ও জমিদারির মালিক হন। বর্তমানে ফরিদপুর উপজেলা পরিষদের বেশির ভাগ অফিসই এ রাজবাড়ীর মধ্যে অবস্থিত। বর্তমানে এটি একটি পর্যটন কেন্দ্র বটে। প্রতিদিন অনেক দর্শনাথী ও পিকনিক পার্টির লোকজন এ রাজবাড়ী দেখতে আসেছ।